একটি ব্লগ সাইট তৈরি করার নিয়ম ও ধাপ সমূহ।

ব্লগ সাইট তৈরি

আপনি একটি ব্লগিং করার জন্য ব্লগ সাইট তৈরি করতে চান? কিন্তু জানেন না কোথায় থেকে শুরু করতে হবে? তাহলে আজকের আর্টিকেলটি আপনার জন্য। একটি ব্লগিং সাইট তৈরি করতে হলে আপনার কি কি ধাপ অতিক্রম করতে হবে সেই বিষয় গুলো সংক্ষেপে জানানোর চেষ্টা করা হবে।

একটি ব্লগ সাইট তৈরি করার নিয়ম ও ধাপ সমূহ

একটি ব্লগ সাইট শুরু করার আগে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখতে হয় তারপর ধাপে ধাপে ওয়েবসাইট তৈরি করার কাজ শুরু করতে হয়। এই ধাপ গুলো কি কি এবং কিভাবে করবেন সেই বিষয় গুলো সংক্ষেপে আপনাদের সাথে শেয়ার করা হলো। আশা করি আর্টিকেলটি পড়ার মাধ্যমে আপনার ব্লগিং করার পথটা আর একটু সহজ হয়ে উঠবে। তো চলুন শুরু করা যাকঃ

১। ব্লগিং নিশ বা টপিক নির্বাচন

ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি করার প্রথম ধাপ হলো নিশ বা টপিক নির্বাচন করা। নিশ বলতে আপনি কোন বিষয়ের উপর লেখালেখি করবেন সেই বিষয়টি নির্বাচন করা। অর্থাৎ আপনি কোন ক্যাটেগরি ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি করবেন সেটি চয়েস করা সেটি হতে পারেন টেকনোলজি, হেলথ টিপস, খেলাধুলা, ইভেন্ট ব্লগ, নিউজ সাইট,পড়াশোনা বিনোদিন ইত্যাদি। সবচেয়ে ভালো হয় আপনি কোন বিষয়ে যে বিষয়ে পারদর্শী আপনি যে জিনিস সম্পর্কে ভালো জানেন সেই বিষয় নিয়ে ব্লগিং শুরু করা এতে আপনার আগ্রহ থেকে যাবে। যেমন আমি প্রযুক্তি নিয়ে নতুন কিছু শিখতে জানতে পছন্দ করি এবং সেই গুলো নিয়ে লেখালেখি করি।

ঠিক এইভাবে আপনারও পছন্দের কোন টপিক থাকতে পারে যেমন আপনি যদি পড়াশোনায় ভালো থাকেন এইগুলো নিয়ে ভালো জ্ঞান রাখেন তাহলে এই টপিক নিয়ে আপনি কাজ করতে পারেন। আবার অনেকেই খেলাধুলার খবর বা এইসব নিয়ে আগ্রহ বেশি থাকতে পারে সেই ব্যক্তি এই বিষয়ের উপর ব্লগ শুরু করতে পারে।

২। ব্লগ সাইটের ভাষা নির্বাচন করা

ব্লগ সাইটের কোন বিষয়ের উপর হবে সেটি নির্বাচন করার পর যে ধাপটি আসে সেটি হলো ব্লগ সাইটটি কোন ভাষার উপর হবে। সাধারণত আমরা যারা বাংলাদেশি তারা বাংলা ও ইংরেজি ভাষা নিয়ে বেশি কাজ করে থাকি। অনেকে আছে যারা ইংরেজিতে তেমন ভালো লিখতে পারে না তার বাংলা ভাষায় ব্লগ লিখতে পারেন। এখন বাংলা ভাষায় লেখালেখি করে অনলাইন থেকে টাকা উপার্জন করা যায়। এইক্ষেত্রে একটি সমস্যা হলো বাংলা ওয়েবসাইটের ব্লগ পোস্ট গুলো সঠিকভাবে এসইও ফ্রেন্ডলি ভাবে লেখা যায় না (নির্দিষ্ট কিছু টপিকের)। বাংলা ভাষায় জটিল জিনিস গুলো মানুষ কমই সার্চ করে। তবুও বাংলা ভাষা নিয়ে কাজ করলে সফলতা পাওয়া সব সম্ভব কিন্তু একটু সময় সাপেক্ষ বিষয়। যেহেতু বাংলা ভাষা নিয়ে লেখালেখি করছেন সেহেতু আপনার ভিজিটর গুলো হবে শুধু বাংলাদেশের।

অপর দিকে যারা ইংরেজি ভাষা জানেন তারা ইংরেজিতে আপনার পছন্দের বিষয়ের উপর ব্লগ ওয়েবসাইট বানাতে পারেন। ইংরেজি ব্লগ সাইট গুলোতে তুলনামূলক বেশি ভিজিটর পাওয়া সম্ভব কারণ ভাষা ইংলিশ হওয়াতে পৃথিবীর সকল দেশের মানুষ ভিজিটর হয়ে থাকে। ইংরেজি আন্তর্জাতিক ভাষা হওয়ায় এটি নিয়ে ব্লগ সাইট রান করলে ভিজিটর ভালো পাওয়ার সম্ভবনা বেশি। আবার এই ইংরেজি ভাষায় আরো লক্ষ লক্ষ সাইট আছে তাদের সাথে প্রতিযোগিতা করে আপনাকে চলতে হবে।

আপনি যে ভাষায় বা টপিকে বেশি স্বাচ্ছদ্য বোধ করেন সেই ভাষা নিয়ে ব্লগিং শুরু করতে পারেন।

৩। ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম নির্বাচন করা

ব্লগিং সাইট তৈরি করার জন্য অনেক ধরনের টেকনোলজি বা ওয়েবসাইট বিল্ডিং টুলস রয়েছে যেগুলো দ্বারা আপনি ফ্রি বা কিছু অর্থের মাধ্যমে ব্লগ সাইট তৈরি করতে পারবেন। এতো সব টেকনোলজির মধ্যে ব্লগ সাইট বানানোর জনপ্রিয় টুলস হলো ব্লগার ও ওয়ার্ডপ্রেস। Blogger একটি ফ্রি ব্লগিং প্ল্যার্টফর্ম যেখানে আপনি সম্পূর্ণ ফ্রিতে একটি ব্লগ ওয়েবসাইট বানাতে পারবেন এটি গুগলের একটি সার্ভিস হওয়াতে বেশ ভালো সার্ভিস দেয়। এটি দিয়ে ৫-১০ মিনিটের মধ্যে একটি ব্লগ সাইট তৈরি করে ফেলতে পারবেন। ব্লগারে ওয়েবসাইট তৈরি করতে আপনাকে ডোমেইন কেনার ও প্রয়োজন নেয় তারা আপনাকে ফ্রিতে সাবডোমেইন দিয়ে দিবে যেটি দ্বারা কাজ চালাতে পারবেন। কিন্তু সাব ডোমেইন বড় হওয়ার কারণে ভিজিটরদের মনে রাখার কষ্টকর হতে পারে তাই কিছু টাকা খরচ করে একটি টপ লেভেল ডোমেইন কিনে নেওয়া ভালো।

অপরদিকে ওয়ার্ডপ্রেসও একটি ফ্রি কনটেন্ট ম্যাজেনমেন্ট সিস্টেম যেটি দ্বারা খুব সহজেই সুন্দর ব্লগ সাইট বানানো সম্ভব। শুধু ব্লগ সাইট না চাইলে আপনি পার্সোনাল, বিজনেস, ই-কমার্স ইত্যাদি সাইট তৈরি করতে পারবেন। কিন্তু ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করার জন্য আপনাকে ওয়েব হোস্টিং ক্রয় করার প্রয়োজন হবে। তারপর সেখানে ওয়ার্ডপ্রেস সিএমএসটি ইনস্টল করে ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন। এছাড়া ওয়ার্ডপ্রেসের আরেকটি ভার্সন রয়েছে wordpress.com যেটিতে আপনি ব্লগারের মতো ফ্রি সাব ডোমেইন ওয়ালা ব্লগ তৈরি করতে পারবেন। কিন্তু সেটির সম্পূর্ণ কন্ট্রোল আপনার কাছে থাকবে না কাস্টমাইজ সুবিধাও কম।

এখন কথা হচ্ছে আপনি কোনটি দ্বারা ব্লগিং শুরু করবেন? এটি অনেক তর্ক বিতর্কের প্রশ্ন। কিন্তু সহজ হিসাব হলো আপনার যদি ডোমেইন ও হোস্টিং কেনার মতো সামর্থ্য না থাকে কিন্তু ব্লগিং করতে চাচ্ছেন শিখতে চাচ্ছেন তাহলে আপনি ব্লগার মাধ্যমে এগিয়ে যেতে পারেন। কিন্তু ব্লগারের কাস্টমাইজ সুবিধা কম সহ আরো কিছু খারাপ দিক রয়েছে কিন্তু ফ্রি হিসাবে বিবেচনা করলে এটি সেরা একটি প্ল্যাটফর্ম। আপনি যেহেতু সিরিয়াস ভাবে ব্লগিং করতে চাচ্ছেন সেহেতু আমার পরামর্শ হবে কিছু টাকা খরচ করে ডোমেইন হোস্টিং কিনে ওয়ার্ডপ্রেসে কাজ শুরু করা। ওয়ার্ডপ্রেসে কাজ করার অনেক সুবিধা রয়েছে এবং সব কিছু সহজেই করে ফেলতে পারবেন। ওয়ার্ডপ্রেস নাকি ব্লগার এটি নিয়ে আলোচনা করতে গেলে অনেক বড় হয়ে যাবেন আর্টিকেল তাই সহজ একটি কথা ইনভেস্ট করার মতো টাকা না থাকলে  ব্লগার দিয়ে এগিয়ে যান আর যদি ২০০০-৩০০০ টাকার কম বেশি খরচ করতে পারেন তাহলে অবশ্যই ওয়ার্ডপ্রেস বেস্ট একটি প্ল্যাটফর্ম।

৪। ব্লগ সাইট ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করা

ব্লগ সাইট তৈরির ৪র্থ  ধাপে আপনার ব্লগ ওয়েবসাইটের জন্য সুন্দর ও একটি ডোমেইন নির্বাচন করতে হবে। তারপর সেই ডোমেইনটি রেজিস্ট্রেশন করে কাজ শুরু করে দিতে হবে। একটি ডোমেইন অর্থাৎ ওয়েবসাইটের নাম নির্বাচন করার ক্ষেত্রে আপনাকে কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। যেমনঃ

  • ওয়েবসাইটের টপিকের সাথে মিল রেখে ডোমেইন নির্বাচন করা।
  • ডোমেইন দুটি শব্দের মধ্যে হলে ভালো হয়।
  • ডোমেইন ছোট ও মিনিংফুল হলে হতে হবে।
  • নামের মধ্যে হাইফেন – না দিলে ভালো হয় যেমনঃ my-site.com ইত্যাদি।
  • ভালো ডোমেইন রেজিস্টার থেকে ডোমেইন রেজিস্টার করা।

৫। বেস্ট হোস্টিং নির্বাচন করা

ডোমেইন নাম নির্বাচন করার পর আপনার ওয়েবসাইটের জন্য বেস্ট হোস্টিং সার্ভিস প্রোভাইডার নির্বাচন করতে হবে। অনেক ওয়েব হোস্টিং কোম্পানি হোস্টিং সার্ভিস দেওয়ার সাথে সাথে ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন সার্ভিসও দিয়ে থাকে। যদি আপনি ওয়ার্ডপ্রেসে ব্লগ সাইট তৈরি করতে চান তাহলে একই জায়গা থেকে ডোমেইনও রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন। হোস্টিং নিবার্চন করার ক্ষেত্রে আপনার জন্য ইন্টারন্যাশনাল কোন পেমেন্ট মেথড না থাকে সেই ক্ষেত্রে আপনি বাংলাদেশি হোস্টিং প্রোভাইডার গুলো থেকে হোস্টিং ক্রয় করতে পারেন। যেমনঃ hostever, exonhost, itnut hosting ইত্যাদি আর ইন্টারন্যাশনাল হোস্টির প্রোভাইডার যেমনঃ Hostgator, namecheap, a2hosting, siteground ইত্যাদি রয়েছে।

কিন্তু ইন্টারন্যাশনাল হোস্টিং সার্ভিস প্রোভাইডার থেকে হোস্টিং কিনতে গেলে ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট মেথড থাকবে যেমনঃ Paypal, Master Card, Credit Card, Debit Card ইত্যাদি। অনেকের এইসব পেমেন্ট নেয় তারা বাংলাদেশি প্রোভাইডার থেকে কিনতে পারেন। হোস্টিং কেনার সময় খেয়াল রাখবেন যে কোম্পানি থেকে কিনচ্ছেন আসলে সেটি কেমন সার্ভিস দেয়। কোন একটি কমিনিউটি গ্রুপে পোস্ট দেওয়ার মাধ্যমে আপনি শিওর হতে পারেন কেমন সার্ভিস দেয়(কিন্তু এই ক্ষেত্রে অনেকে নিজের সাইট প্রমোট করতে পারে তাই সাবধান)।

একটি ভালো হোস্টিং নির্বাচন করতে গেলে আরো অনেক বিষয় লক্ষ রাখতে হয় সেটি আপনি কষ্ট করে জেনে নিন How to choose best hosting কীওয়ার্ড সার্চ দিয়ে। ছোট করে বলতে গেলে হোস্টিং কেনার সময় কোন লোভনীয় অফার দিকে ঝাপিয়ে কোন নতুন কোম্পানি থেকে হোস্টিং কিনতে যাবেন না এর চেয়ে একটু বেশি দাম দিয়ে নামকরা ভালো কোম্পানি থেকে হোস্টিং ক্রয় করবেন। ১জিবির স্পেসের হোস্টিং হলে আপাততো ব্লগিং করা শুরু করতে পারেন পরে চাহিদা অনুযায়ী আপগ্রেড করে নিবে।

৬। থিম ইনস্টল ও কাস্টমাইজ করা

হোস্টিং ক্রয় করার পর ব্লগ সাইট তৈরির জন্য ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করার পর বা ব্লগার দিয়ে সাইট বানানোর পর একটি ভালো থিম/টেম্পেলেট ইনস্টল করা। তারপর প্রয়োজন মতো সুন্দর করে কাস্টমাইজ করে সাইটটিকে সাজানো। ওয়ার্ডপ্রেসের ও ব্লগারের জন্য অসংখ্য এসইও ফ্রেন্ডলি ব্লগিং থিম রয়েছে যেই গুলো ব্যবহার করে সাইটকে কাস্টমাইজ করতে পারেন। সেই সাথে সাইটের প্রয়োজনীয় ক্যাটেগরি তৈরী, মেনু তৈরি, বেসিক পেজ যেমনঃ About us, contact us, privacy policy, terms and conditions এই পেজ গুলো তৈরী করে ফুটার মেনু তে সেট করা ইত্যাদি।

৭। এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লেখা

এই পর্যায়ে আপনাকে কপি মুক্ত ভালো আর্টিকেল প্রকাশ করতে হবে ধীরে ধীরে ২০-৩০ টি এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখবেন। আর্টিকেল লেখা হয়ে গেলে তারপর সার্চ কনসোলে ওয়েবসাইট সাবমিট করতে হবে সেটি কিভাবে করবেন জানতে নিচের আর্টিকেল গুলো পড়ুনঃ

Rank Math এসইও প্লাগিন ইনস্টল ও সেটআপ পদ্ধতি।

কিভাবে গুগল সার্চ কনসোল এ আপনার ওয়েবসাইট সাবমিট করবেন।

আর্টিকেল লেখার সময় ভালো করে সুন্দর ফরম্যাটিং করে লিখবেন যাতে ভিজিটরদের পড়তে সুবিধা হয় সেই সাথে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন ও হয়ে যায়।

৮। SEO করুন

ব্লগ সাইটের ভিজিটর বাড়ানোর জন্য SEO করুন , অফ পেজ, অন পেজ তারপর বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন। একটি ব্লগ তখনি সফলতা অর্জন করবে যখন ভিজিটর আসা শুরু হবে। তাই ওয়েবসাইটের ভিজিটর বাড়াতে এসইও করা অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

৯ । ব্লগ সাইট থেকে আয়

ব্লগে সম্পূর্ণ তৈরি হয়ে যাওয়ার পর আর্টিকেলের সংখ্যা মিনিমাম ২৫-৩০ টা হলে গুগল এডসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারেন। আবেদন করার আগে আপনার ওয়েবসাইটের বয়স মিনিমাম এক মাস হতে দিন তাহলে ভালো হবে। আর এই এক মাসে প্রতিনিয়ত সুন্দর সুন্দর ইনফরমেশনাল আর্টিকেল লিখে যান। তারপর কিভাবে গুগল এডসেন্স এ অ্যাপ্লাই করে অ্যাপ্রুভ হয়ে গেলে আয় করতে পারেন সেটি নিয়ে কোন ভালো টিউটোরিয়াল বা ব্লগ পড়ে অ্যাপ্লাই করুন।

১০। নিয়মিত আর্টিকেল লিখুন

ব্লগ সাইট তৈরি করার পর এখান থেকে ইনকাম করতে চাইলে অবশ্যই এর পিছনে সময় দিতে হবে এবং রেগুলার আর্টিকেল লিখতে হব। আর ব্লগ সাইট পরিচালনা নিত্য নতুন বিষয় গুলো শিখতে থাকুন, জানতে থাকুন।

আশা করি, এই আর্টিকেল থেকে জানতে পেরেছেন একটি ব্লগ সাইট তৈরি করার নিয়ম ও ধাপ সমূহ কি কি হতে পারে।

আরো পড়ুনঃ

১০টি ইন্টারনেট নিরাপত্তা টিপস এন্ড ট্রিক।

ল্যাপটপ নাকি ডেস্কটপ কম্পিউটার? কোনটি কিনবেন?

১০টি ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট নিরাপত্তা টিপস।

নতুন কম্পিউটার ব্যবহারকারী জন্য ৫ টিপস।

ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহার করার সময় নিরাপদ থাকার উপায়।

You May Also Like

About the Author: Techmaster BD

প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন তথ্য ও টিপস এন্ড ট্রিক জানতে ও জানাতে পছন্দ করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!