১০টি ইন্টারনেট নিরাপত্তা টিপস এন্ড ট্রিক।

ইন্টারনেট নিরাপত্তা

ইন্টারনেট নিরাপত্তাঃ বর্তমান সময়ে ইন্টারনেট ছাড়া একটি মুহুর্ত আমরা কল্পনা করতে পারি না। ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমরা পড়াশোনা, ব্যবসা, বিনোদন ইত্যাদি সুবিধা গ্রহণ করে থাকি। প্রতিদিন আমরা কোন না কোন ওয়েবসাইট ভিজিট করছি, বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট দেখছি। প্রয়োজনে ই-কমার্স ওয়েবসাইট ভিজিট করে নিজেদের পছন্দ পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করছি। কিন্তু আমরা অনেকেই এই ইন্টারনেট ব্যবহারে নিরাপত্তা নিয়ে সচেতন নয়! যেখানে একদল লোক আমাদের ক্ষতি করার জন্য এই ইন্টারনেট কে বেছে নিয়েছে। আজকের আলোচনার বিষয় বস্তু হলো ইন্টারনেটে নিরাপদ থাকার উপায় নিয়ে, তো চলুন শুরু করা যাক।

১০টি ইন্টারনেট নিরাপত্তা টিপস এন্ড ট্রিক

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে গিয়ে বেশির ভাগই মানুষ যেসব ভুল গুলো করে থাকি সেই জিনিস গুলো এই ১০টি পয়েন্টে তুলে ধরবো। ইন্টারনেট নিরাপদ থাকার জন্য এই বিষয় গুলো খেয়াল রাখলে আপনি অনেক ক্ষতির হাত থেকে বেঁচে যেতে পারেন।

১। অপ্রয়োজনীয় যেকোন লিংকে প্রবেশ না করে

যেহেতু কথা হচ্ছে ইন্টারনেট নিরাপত্তা নিয়ে তাই এই বিষয়টি উল্লেখ না করে পাচ্ছি না। আমরা যদি ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপ বা পোস্টের কমেন্ট সেকশন দেখি তাহলে একটা জিনিস দেখবো একদল ব্যক্তি টাকা ইনকামের সাইটের কথা বলে লিংক কমেন্টে দিয়ে দিছে। আর অনেকেই এটি বিশ্বাস করে লিংকে গিয়ে নিজের ব্যক্তিগত তথ্য দিয়ে ভুল করে বসে থাকে। টাকা ইনকাম এতো সহজ বিষয় না যে লিংক দিলো ঢুকলেন আর দুই চারটা ক্লিক দিলেন ডলার বা টাকা পেয়ে গেলেন। তাই কেউ যদি কখনো আপনাকে কোন লিংক দিয়ে বলে যে বা ফেসবুক গ্রুপের কোন পোস্টের নিচে কমেন্ট বক্সে দেখেন যে কেউ টাকা ইনকামের কথা বলে লিংক শেয়ার করেছে সেইসব লিংক থেকে দূরে থাকুন।

এইসব লিংকে ঢুকার পর আপনাকে ফিশিং সাইটে রিডাইরেক্ট করে দেয় এবং আপনি ভুল বশত ইনফরমেশন গুলো দিয়ে স্প্যামারকে সুবিধা করে দেন। ইন্টারনেট দুনিয়া কখনো অপরিচিত কোন ওয়েবসাইট বা লিংক দেখলে সেটি আগে যাচাই বাছাই করবেন তারপর সেই লিংক প্রবেশ করবেন। শুধু যে ফেসবুকে এমন ক্ষতিকর লিংক থাকে তাই না অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াতেও এই ধরনে লিংক দেখা যায়। তাই জানা শোনার বাইরে কোন ওয়েবসাইট বা লিংকে প্রবেশ থেকে বিরত থাকুন।

২। ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করার সময় সতর্কতা

এক সময় আমরা অভ্যস্ত ছিল প্রয়োজনীয় যেকোন ফাইল সেটা হতে পারে গেমস, ভিডিও, অডিও, সফটওয়্যা ইত্যাদি বন্ধুর কাছে থাকলে নিয়ে নিতাম। অথবা কোন কম্পিউটার দোকান থেকে মেমোরি/পেনড্রাইভ লোড করে নিয়ে আসতাম। কিন্তু বর্তমান সময়ে আমরা নিজেরাই ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড দিয়ে থাকি আর এই ডাউনলোড করতে গিয়ে আমরা কিছু ভুল করে ফেলি। ভুল গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো কোন সফটওয়্যার বা ফাইল ডাউনলোড করতে গিয়ে ভাইরাস দ্বারা কম্পিউটার আক্রান্ত করে ফেলি। এর মধ্য ভাইরাস গুলোর মধ্য র‍্যানসমওয়্যার দ্বারা বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকে কম্পিউটার গুলো।

যার ফলে কম্পিউটারে থাকা সকল ফাইল এনক্রিপ্ট হয়ে যায় যা অনেক চেষ্টার পর ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয় না। সর্বশেষ হার্ড ডিস্ক ফরম্যাট করে নতুন করে অপারেটিং সিস্টেম সেটআপ দিতে হয়। আর এভাবেই আমরা আমাদের প্রয়োজনীয় ফাইল গুলো হারিয়ে ফেলি। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ইন্টারনেট থেকে যেকোন ফাইল ডাউনলোড করার সময় নিচের ইন্টারনেট নিরাপত্তা টিপস গুলো খেয়াল রাখেবন।

ইন্টারনেট থেকে কোন কিছু ডাউনলোড করার সময় যেসব সতকর্তা অবলম্বন করা উচিতঃ

  • অপরিচত কোন ওয়েবসাইট থেকে কোন কিছু ডাউনলোড করে ইনস্টল করতে যাবেন না।
  • যে ফাইলটি ডাউনলোড করছেন সেটির ফাইল এবং যা ডাউনলোড শুরু হয়েছে সেই ফাইলটির সাইজ একই কিনা সেটি শিওর হয়ে নিবেন। যদি দেখেন আপনি ১ জিবির ফাইল ডাউনলোড দিচ্ছেন কিন্তু ডাউনলোড হচ্ছে দুই তিন মেগাবাইটের ফাইল তাহলে বুঝবেন ঘাপলা আছে সেই ফাইলটি ডাউনলোড হওয়ার আগে কেটে দিন। অথবা যদি ডাউনলোড হয়ে যায় ভুলবশত তাহলে ওপেন না করে ডিলিট করে দিন।
  • কোন ফাইল ডাউনলোড করার সময় অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার অন রাখুন।
  • আপডেট ইন্টারনেট ব্রাউজার ব্যবহার করুন।

৩। পপ এডস থেকে সাবধান

ইন্টারনেট জগতে আমরা কিছু ডাউনলোড করতে গেলে সবচেয়ে বেশি যে সমস্যার সম্মুখীন হয় সেটি হলো পপ এডস। অনেকেই হয়তো জানেন না পপ এডস কি? ব্যাপার না জেনে নিন পপ এডস হলো এক প্রকার বিজ্ঞাপন যেটা ইউজারের অনিচ্ছাকৃত ভাবে ডিসপ্লে করা হয়ে থাকে। এই ধরুন আপনি একটি মুভি ডাউনলোড করতে একটি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করেছেন কিন্তু ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করছে তবে ডাউনলোড হচ্ছে নতুন ট্যাবে ওপেন করে অন্য ওয়েবসাইটে নিয়ে যাচ্ছে। অথবা ওয়েবসাইটের যেকোন কিছুতেই ক্লিক করতে যান আর নতুন একটা ট্যাব ওপেন করে অন্য ওয়েবসাইটে নিয়ে যায় এটিই হলো পপ এডস। যা ওয়েবসাইটের মালিকেরা ইনকাম করার জন্য ব্যবহার করে থাকে।

এটি খুবই বিরক্তকর ব্যাপার এবং ভয়ানক হয়ে থাকে কারণ আপনি যে জিনিস চাচ্ছেন সেটি নিতে গিয়ে আপনাকে হয়রানি তো হচ্ছে সেই সাথে ক্ষতিকর ওয়েবসাইট বা ফাইল ডাউনলোড করার জন্য ফোর্স করা হয়। অনেক সময় হয়তো দেখছেন যে হুট করে আপনার সামনে আইফোন পেয়েছেন এমন একটি ওয়েবপেজ ওপেন করে দেওয়া হয় আর বলা হয় যদি আইফোন পেতে চান এই অ্যাপ ঐ অ্যাপ ইনস্টল করুন। সাবধান এটি আসলে একটি ফেক জিনিস আপনাকে লোভ দেখিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা মাত্র।

তাই কখনো এই রকম পপ এডস এর চক্করে পড়লে যে ট্যাব টি ওপেন হচ্ছে সেটি কেটে দিন তারপর আবার চেষ্টা করুন হয়তো কয়েকবার করার পর আসল লিংকটি তে ক্লিক পড়বে। আমাদের কিছু করার থাকে না কারণ আমাদের ফাইল বা মুভিটি প্রয়োজন তাই আমরা যতোই কিছু হোক না কেন ডাউনলোড দেওয়ার জন্য চেষ্ঠা করে থাকি। যেটাই করেন না কেন একটু সাবধনতার সাথে কিছু ডাউনলোড করবেন বা কোন লিংক ক্লিক করবেন।

৪। HTTPS যুক্ত ওয়েবসাইট ভিজিট করা

যেসব ওয়েবসাইটে https যুক্ত সেই সব ওয়েবসাইট ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন এবং কোন ওয়েবসাইট যদি HTTPS না থাকে তাহলে সেই ওয়েবসাইটে কোন ধরনের গোপন তথ্য প্রবেশ করা থেকে বিরত থাকুন। HTTPS যুক্ত ওয়েবসাইটের ডাটা ইনক্রিপ্ট অবস্থায় থাকে যার ফলে অন্য কেউ সহজে তথ্য চুরি করতে পারবে না।

৫। পেমেন্ট ইনফরমেশন

ইন্টারনেটের কল্যাণে আমরা ঘরে বসেই নিজেদের পছন্দের যেকোন পণ্য ক্রয় করতে পারি যা আমাদের সময় ও টাকা কিছুটা হলেও সাশ্রয় করে। এই ক্ষেত্রে আমাদের একটি সতর্কতার বিষয় রয়েছে সেটি হলো পেমেন্ট ইনফরমেশন নিয়ে। আমরা অনলাইনে কেনা-কাটার জন্য সাধারণ ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড, মাস্টার কার্ড, ব্যাংক ট্রান্সফার, মোবাইল ব্যাকিং ইত্যাদি মেথড ব্যবহার করে থাকি। আর এই জিনিস গুলো খুবই গোপনীয় যদি অন্য কারো হাতে চলে যায় তাহলে মুহুর্তের মধ্যে ব্যালেন্স খালি হয়ে যেতে পারে।

তাই যখন কোন ওয়েবসাইট শপিং করবেন তখন সেই ওয়েবসাইট সিকিউর কিনা আর HTTPS যুক্ত ওয়েবসাইট কিনা সেটিও লক্ষ্য করবেন। অনেক সময় দেখা যায় বিভিন্ন শপিং ওয়েবসাইট বা ব্রাউজার পেমেন্ট ইনফরেমশন গুলো পরবর্তীতে সহজেই শপিং করার জন্য সেভ করে রাখার পারমিশন চাই। আমার মতে এই পারমিশন দেওয়া কখনো উচিত না কষ্ট করে আবার সব লিখবেন সমস্যা কি? ধরুন কোন ভাবে ঐ ই-কমার্স সাইট বা আপনার ব্রাউজার হ্যাক হয়ে গেলো তখন অনেকটাই চ্যান্স থাকে এই তথ্য গুলো ফাঁস হওয়ার তাই পেমেন্ট ইনফরমেশন সেভ না রাখার পরামর্শ।

৬। একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন

অনেকেই আছে পাসওয়ার্ড মনে থাকে না অনলাইনের যতসব অ্যাকাউন্টে রয়েছে সব গুলোই একই পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখে। এই জিনিসটা অনেক ভয়াবহ কারণ কখনো যদি আপনার ঐ একটি পাসওয়ার্ড কেউ জেনে যায় সে অবশ্যই চেষ্টা করবে আপনার অন্যসব অ্যাকাউন্টে একই পাসওয়ার্ড দিয়ে প্রবেশ করার। এখন নিজেই ভেবে দেখুন তখন কি অবস্থায় সৃষ্টি হবে একবারে সব হারাবেন! তাই একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।

৭। শক্তিশালী পাসওয়ার্ড নির্বাচন করুন

সহজে মনে রাখার জন্য কখনো সহজ পাসওয়ার্ড দিবেন না। সহজ পাসওয়ার্ড ওয়ালা অ্যাকাউন্ট সহজেই হ্যাক হয়ে যেতে পারে। পাসওয়ার্ড নির্বাচনের ক্ষেত্রে বড় হাতের ও ছোট হাতের অক্ষর, নাম্বার, স্পেশাল ক্যারেক্টার ইত্যাদির সংমিশ্রণে পাসওয়ার্ড তৈরী করুন। কখনোই নিজের নাম, নিজের ফোন নাম্বার, জন্ম তারিখ ইত্যাদি ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। যেকেউ এইসব দিয়ে চেষ্টা করে আপনার আইডিতে প্রবেশ করতে পারে। এইজন্য সব সময় ইউনিক ভালো পাসওয়ার্ড সেট করে রাখুন।

৮। টু স্টেপ ভেরিফিকেশন সিস্টেম ব্যবহার

ইন্টারনেট নিরাপত্তার জন্য টু স্টেপ ভেরিফিকেশন একটি অসাধারণ সিকিউরিটি সেটিংস। গুগল, ফেসবুক, ইস্টাগ্রাম সহ সকল এই রকম অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা প্রদান করার জন্য এই Two Step Verification সুবিধা দিয়ে থাকে। এটি অন করা থাকলে কেউ যদি আপনার পাসওয়ার্ডটি জেনেও যায় তবুও লগিন করতে পারবে না। যখন লগিন করার চেষ্টা করবে তখন উক্ত নাম্বারে কোড পাঠাবে সেটি ইন্ট্রি করার পর যে অ্যাকাউন্টে লগিন হবে। তাই নিজের অনলাইন অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা বাড়াতে অবশ্যই টু স্টেপ ভেরফিকেশন চালু রাখবেন।

৯। ব্যক্তিগত তথ্য ও ছবি শেয়ারের সতর্কতা

অনলাইনে জগতে আমরা পরিচিত অপরিচত সকল মানুষের সাথে যুক্ত হয়ে একে অপরের সাথে বিভিন্ন কথোপকথন করে থাকি। আর এটির জন্য বিখ্যাত হলো ফেসবুকে, যেখানে পরিচত অপরিচিত সকলকের সাথে আমাদের অনেকেই বন্ধুত্ব তৈরী করে থাকে। এই ক্ষেত্রে বিশেষ করে মেয়েদের একটু সতর্ক হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি। দেখা গেছে কিছু দিনের পরিচয়ে এক অপরিচত মানুষের সাথে প্রেম সম্পর্কে জড়িয়ে গিয়ে নিজে ভালোবাসার প্রমাণ দিতে গিয়ে ব্যক্তিগত ছবি শেয়ার করে বসে থাকে যা পরবর্তীতে তার কাল হয়ে দাঁড়ায়। তাই দয়া করে যেভাবে যায় হোক না কেন অনলাইনে নিজের ব্যক্তিগত ছবি বা কিছু কাউকে সেন্ড করা বা ডাইরেক্ট পোস্ট করা থেকে বিরত থাকুন। তাছাড়া নিজে তো ক্ষতির মুখে পড়বেন সেই সাথে নিজের পরিবারটাকেও ঢুবে ফেলবেন।

তাছাড়াও আবার অনেক মেয়ে আছে যারা একটু ফলোয়ারের জন্য নিজের শরীরটা কে ইচ্ছাকৃত আবার অনিচ্ছাকৃতভাবে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করে। যার ফলে অনলাইনে তো একটা খারাপ প্রভাব ফেলে সেই সাথে নিজের সম্মান টুকুও শেষ করে দেন। আর যেসব আপুরা ইচ্ছাকৃত ভাবে ছবি শেয়ার দেন না তারা একটু খেয়াল রাখবেন যে নিজেদের ছবি আপলোড করার সময় কোন ভাবে কোন রকম কিছু হবে নাকি(আশা করি বুঝতে পারছেন কি বুঝাতে চেয়েছি) তারপর ছবি আপলোড করবেন। যদি আপনি ভালো থাকেন তাহলেও আপনার ছবি পেয়ে অন্য কেউ ইডিট করে কিছু একটা করতেই পারে তাই সাবধানতা অবলম্বন করুন।

ইন্টারনেটে পরিচিত হওয়া কোন বন্ধু বা মানুষকে নিজের কোন অ্যাকাউন্টের তথ্য শেয়ার করবেন না। অনেক সময় হয়তো গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য কাছের মানুষদের সাথে শেয়ার করা লাগতে পারে কিন্তু শেয়ার করার পর অবশ্যই মেসেজেটি রিমুভ করে দিবেন।

১০। ভিপিএন ব্যবহার করুন

ইন্টারনেট ব্রাউজিং করার সময় সুরক্ষিত থাকার জন্য ভিপিএন সার্ভিস ব্যবহার করতে পারেন। এটি আপনার আর ইন্টারনেটের মাঝে খানে এক এনক্রিপ্টেড রাস্তার মতো কাজ করে থাকে। ভিপিএন নিয়ে বিস্তারিত জানতে এই আর্টিকেলটি পড়ুনঃ ভিপিএন কি? ভিপিএন ব্যবহারের সুবিধা।

আরো পড়ুনঃ

ল্যাপটপ নাকি ডেস্কটপ কম্পিউটার? কোনটি কিনবেন?

১০টি ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট নিরাপত্তা টিপস।

ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহার করার সময় নিরাপদ থাকার উপায়।

উইন্ডোজের সিস্টেম সফটওয়্যার ও সেটিংস পরিচিত।

ইমেইল এ ফেসবুক নোটিফিকেশন যাওয়া বন্ধ করার নিয়ম?

You May Also Like

About the Author: Techmaster BD

প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন তথ্য ও টিপস এন্ড ট্রিক জানতে ও জানাতে পছন্দ করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!